শিক্ষক শূন্যপদের তালিকা হচ্ছে

সারাদেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগযোগ্য শিক্ষকের শূন্যপদের সঠিক তালিকা তৈরি করছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

২০১৬ খ্রিস্টাব্দের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরী ইনস্টিটিউটে নিয়োগযোগ্য কতজন শিক্ষকের পদ শূন্য হবে তার প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সঠিক তালিকা চেয়ে জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়েছে এনটিআরসিএ।

এনটিআরসিএ’র সদস্য (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) সোলতান আহমদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের শূন্যপদের ৭টি  তথ্যের জন্য একটি নমুনা ফাইলও পাঠানো হয়েছে।

প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ, কর্মচারী এবং সহকারী গ্রন্থগারীকদের শূন্যপদের তথ্য নেওয়া হচ্ছে না।

সম্প্রতি জারি করা শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিধান সংক্রান্ত এস আর ও’র কপি উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের সরবরাহ করেছে এনটিআরসিএ।

এক প্রশ্নের জবাবে, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেটসহ কয়েকটি বিভাগের জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা বলেন, “তালিকা তৈরি করে নির্ধারিত ইমেইলে পাঠিয়েছি”।

আবার কেউ বলেছেন তারা এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এনটিআরসিএর চিঠি পাননি।

এনটিআরসিএ’র দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলেন, মেধা তালিকা থেকে নিবন্ধনধারীদের এই শূন্যপদের তালিকা অনুযায়ী নিয়োগের জন্য পাঠানো হবে।

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়াধীন সকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ রাখা হয়েছে। ২২ অক্টোবর এসআরও জারির মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে। ফলে অধিকাংশ সংসদ সদস্যরা প্রথমদিন সংসদে হইচই ও বিরোধীতা করলেও উচ্চমহলে নির্দেশে চুপসে গেছেন পরবর্তীতে।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে ম্যানেজিং কমিটিতে স্থানীয় রাজনৈতিক কিছু বেহুদা নেতা-কমী ঢুকে পড়েছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছেন অনেকে। টাকার বিনিময়ে অযোগ্য লোক শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছিল গত ১৫ বছর যাবত। ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে নিবন্ধন পরীক্ষা শুরুর পর থেকে  গুণগত মান কিছুটা হলেও নিশ্চিত হলেও নিয়োগে টাকা লেনদেন দিনদিন বেড়েই চলছিল।

সরকার একটা উদ্যোগ নিয়েছেন নিয়োগে স্বচ্ছতা আনয়ন ও গুণগত মানের উন্নতিকল্পে। সারাদেশের মানুষ এ পদক্ষেপে যারপরনাই খুশী হয়ে স্বাগতম জানিয়েছেন।