চাকরির ইন্টারভিউ বোর্ডে যে কথা বলতে নেই

চাকরির জন্য প্রত্যেককেই ইন্টারভিউ বোর্ডের মুখোমুখি হতে হয়। কারণ চাকরি পাওয়ার সিঁড়িই হলো ইন্টারভিউ। কিন্তু অনেকেই ভালো প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফল নিয়েও ইন্টারভিউ বোর্ডে অযোগ্য বলে বিবেচিত হন। এর কারণ কী? কিছু কারণতো অবশ্যই রয়েছে। আসলে ইন্টারভিউ চলাকালীন এমন কিছু কথা রয়েছে, যেটা বললে যিনি ইন্টারভিউ নিচ্ছেন তার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। তাই জেনে নিন ইন্টারভিউয়ের সময় যে কথা বলতে নেই।

দয়াকরে তাড়াতাড়ি করবেন
দয়াকরে তাড়াতাড়ি করবেন, আমার অন্য একটা ইন্টারভিউ আছে- এ ধরনের কথা কখনোই বলা যাবে না। আপনার চাকরির যতই প্রয়োজন হোক, ইন্টারভিউতে এ কথার অর্থ সেখানেই আপনার চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা শেষ। যেকোনো ইন্টারভিউতে নিজের শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করুন।

ফোনটা রিসিভ করতে হবে
ইন্টারভিউয়ের সময় যত দরকারি কলই হোক- রিসিভ করা ঠিক হবে না। প্রয়োজনে ফোনটা বন্ধ করেই ইন্টারভিউ বোর্ডে যাওয়া উচিত। আপনি ‘সরি’ বলে কল রিসিভ করতে পারেন, কিন্তু এটা আপনার ওপর খারাপ ধারণার জন্ম দেবে।

ব্যক্তিগত প্রশ্ন করা
চাকরি দেওয়ার আগে আপনার সম্পর্কে নানা তথ্য জানতেই প্রশ্নকর্তা প্রশ্ন করবেন। কিছু প্রশ্ন হয়তো ব্যক্তিগত হতে পারে। তাই বলে আপনি প্রশ্নকর্তাকে বলতে পারবেন না যে, আপনি ব্যক্তিগত প্রশ্নের উত্তর দেবেন না। এটা বলার অর্থ, প্রথমেই আপনার বলা কথার ওপর অবিশ্বাস তৈরি করা।

আমার চাকরিটা হবে
ইন্টারভিউতে শুধু আপনি একাই আসেননি। আপনার আগেও এসেছেন, পরেও আসবেন। আপনার ইন্টারভিউ হওয়ার পরই যদি আপনি প্রশ্নকর্তাকে জিজ্ঞাসা করেন- চাকরিটা হবে কিনা, সেটা ঠিক নয়। যিনি ইন্টারভিউ নিয়েছেন তাকে একটু সময় দিন।

ছুটি কেমন পাবো
আমি ছুটি কেমন পাবো? কাজের উপযুক্ত হওয়ার আগে ছুটির জন্য কেমন সময় দিতে হবে? ছুটির আগে অতিরিক্ত কত সময় দিতে হবে? এ ধরনের চাকরিপ্রার্থীদের কোন কারণ ছাড়াই চাকরি দেওয়া হয় না। একই ধরনের কথা আপনার অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার জন্যও বলা ঠিক নয়।

আমার বেতন কত
আমার বেতন কত হবে- এটা বলার অর্থ, আপনার কাজের ব্যাপারে কোনও আগ্রহ নেই। যদি অন্য কোথাও বেশি বেতন পান তবে চলে যেতে পারেন। তাই ইন্টারভিউতে কখনও বেতন কাঠামো নিয়ে কথা বলবেন না।

পদোন্নতি কবে
চাকরি পাওয়ার আগেই পদোন্নতির চিন্তা করা যাবে না। আপনি কবে প্রমোশন পাবেন- এ ধরনের প্রশ্ন করলে আপনার আর চাকরি করতে হবে না।

অন্যরা যা পড়ছেঃ